বাংলাদেশি চারুকলা

বাংলাদেশে চারুকলা ও জয়নুল আবেদিন
বাংলাদেশে চারুকলা বলতে মূলত অঙ্কন, চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, এবং অন্যান্য ললিতকলা বা ফাইন আর্টসের ধারাকে বোঝায়, যার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনকে বাংলাদেশের চারু ও কারুকলা শিক্ষার জনক হিসেবে গণ্য করা হয়, যার হাত ধরেই এ দেশে শিল্পকলার আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ও প্রসারের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র চারুকলা অনুষদ
এটি বাংলাদেশের চারু ও কারুশিল্পের প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা শিল্পকলার শিক্ষা ও গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৮ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে এই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয় এবং সময়ের সাথে সাথে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি চারুকলাসহ অন্যান্য শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশে কাজ করে। এর লক্ষ্য হলো দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলার প্রসার ঘটানো।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
তিনি বাংলাদেশের চারু ও কারুকলা শিক্ষার পথিকৃৎ এবং জনক হিসেবে পরিচিত। তার নিরলস প্রচেষ্টা ও অবদানে বাংলাদেশে চারুকলার আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে।


শাখা-প্রশাখা
চারুকলার মধ্যে অঙ্কন, চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, মঞ্চনাটক, কাব্য, ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টমেকিং ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগ
রশিদ চৌধুরীর উদ্যোগে চট্টগ্রামে চারুকলা শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় এবং পরবর্তীতে এটি একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
__ সংক্ষেপে, বাংলাদেশে চারুকলা একটি বিস্তৃত ক্ষেত্র যা ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক শিল্প